Updates :
Loading...
Showing posts with label স্বাস্থ্য টিপস. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য টিপস. Show all posts

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে যে সাতটি বিষয় মনে রাখবেন



মানুষ থেকে মানুষের দেহে এই ভাইরাস কিভাবে ছড়ায় সে বিষয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা। তবে সাধারণ কিছু সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
এসব সতর্কতা অবলম্বন করলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হবার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমে আসবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এ সতর্কতাগুলো কী? সেগুলো তুলে ধরা হলো।

১. গণপরিবহন

গণপরিবহন এড়িয়ে চলা কিংবা সতর্কতার বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
বাস, ট্রেন কিংবা অন্য যে কোন ধরণের পরিবহনের হাতল কিংবা আসনে করোনাভাইরাস থাকতে পারে।
সেজন্য যে কোন পরিবহনে চলাফেরার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা এবং সেখান থেকে নেমে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

২. কর্মক্ষেত্র
অফিসে একই ডেস্ক এবং কম্পিউটার ব্যবহার করলেও ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাঁচি-কাশি থেকে করোনাভাইরাস ছড়ায়। যে কোন জায়গায় করোনাভাইরাস কয়েক ঘন্টা
এমনকি কয়েকদিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। অফিসের ডেস্কে বসার আগে কম্পিউটার, কিবোর্ড এবং মাউস পরিষ্কার করে নিন।

৩. জনসমাগমস্থল
যেসব জায়গায় মানুষ বেশি জড়ো হয় সেসব স্থান এড়িয়ে চলা কিংবা বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
এর মধ্যে খেলাধুলার স্থান, সিনেমা হল থেকে শুরু করে ধর্মীয় স্থানও রয়েছে।
বাংলাদেশের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে জুমার নামাজের সময় বাড়ি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
সৌদি আরব ইতোমধ্যেই ওমরাহ বন্ধ করেছে।

৪. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যখন গ্রাহকরা যায় তখন অনেকেই একটি কলম ব্যবহার করেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি সে কলম ব্যবহার করে তাহলে পরবর্তী ব্যবহারকারীদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
সেজন্য নিজের কলম আলাদা করে রাখতে পারেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।
এছাড়া টাকা উত্তোলনের জন্য যে এটিএম বুথ ব্যবহার করা হয়, সেখান থেকেও সংক্রমণ হতে পারে। কারণ এটিএম বুথের বাটন অনেকে ব্যবহার করে।

৫. লিফট
ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে আরেকটি জায়গা হতে পারে বাড়ি কিংবা অফিসের লিফট।
লিফট ব্যবহারের সময় নির্ধারিত ফ্লোরে যাবার জন্য লিফটের বাটন অনেকে ব্যবহার করছেন।
বিভিন্ন অফিস ভবনে প্রতিদিন শত-শত মানুষ লিফট ব্যবহার করছেন।
এদের মধ্যে কেউ যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী থাকেন এবং সে লিফটের বাটনে অন্যদের আঙ্গুল গেলেও সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।

৬. টাকা-পয়সা
ব্যাংক নোট বা টাকায় নানা ধরণের জীবাণুর উপস্থিতি শনাক্ত করার ঘটনা নতুন নয়।
এমনকি ব্যাংক নোটের মাধ্যমে সংক্রামক নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশের একদল গবেষক গত বছরের অগাস্ট মাসে বলেছিলেন, তারা বাংলাদেশি কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রায় এমন ধরণের ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পেয়েছেন, যা সাধারণত মল-মূত্রের মধ্যে থাকে।
গতমাসে ভাইরাসের উপস্থিতি নিয়ে টাকা বা ব্যাংক নোট জীবাণুমুক্ত করার একটি উদ্যোগ দেখা যায় চীনে।
দেশটিতে সম্প্রতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর সেখানে ভাইরাসটির বিস্তার ঠেকাতে বাজার থেকে ব্যাংক নোট সরিয়ে নিয়ে তা আবার জীবাণুমুক্ত করে বাজারে ছাড়ে দেশটি।

৭. শুভেচ্ছা বিনিময়
করমর্দন এবং কোলাকুলির মাধ্যমেও করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে।
আপনি যে ব্যক্তির সাথে কোলাকুলি এবং করমর্দন করছেন, তিনি যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তাহলে সেটি অন্যের দেহে সংক্রমিত হতে পারে।
এজন্য করমর্দন এবং কোলাকুলির না করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন সবকিছুর মূল কথা হচ্ছে নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখা।
হাত না ধুয়ে নিজের মুখমণ্ডল স্পর্শ করবেন না। এটি হলে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য নিয়মিত ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: বিবিসি বাংলা অনলাইন

মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭


মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭

১. রক্তশূন্যতার জন্য কোন বি ভিটামিন দায়ী-
উ: ভিটামিন বি৬
২. ১, ৫, ৯, ....,৮১ ধারাটির সংখ্যাগুলোর গড় কত?
উ: ক
৩. ডেঙ্গুজ্বরে শরীরে-
উ: Platelet কমে যায়
৪. মানব দেহের মৌলিক ইউনিটের নাম কি?
উ: কোষ
৫. Rahim walks as if he ..... lame.
Ans: were
৬. জন্ডিসে আক্রান্ত হয়-
উ: লিভার
৭. মজিদ কোন উপন্যাসের চরিত্র-
উ: লালসালু
৮. জরুরী প্রসব সেবা কোন সেবা কেন্দ্রে পাওয়া যায়?
উ: ইউনিয়ন সাব সেন্টার
৯. পানিবাহিত রোগ নয় কোনটি?
উ: ম্যালেরিয়া
১০. মায়ের দুধে গরুর দুধের চেয়ে কোন উপাদান বেশি হবে?
উ: মিনারেলস
১১. Put the correct verb in the gap: He said that he .... not come to the meeting room.
Ans: would
১২. The strike was called...
Ans: off
১৩. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোনটি?
উ: ২১শে ফেব্রুয়ারি
১৪. ভিটামিন A এর অভাবে কোন রোগটি হয় না?
উ: রিকেটস
১৫. মাদার তেরেসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
উ: আলবেনিয়া
১৬. দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য কোন Mineral টি অত্যন্ত জরুরি-
উ: ক্যালসিয়াম
১৭. প্রষ্টেট গ্রন্থি-
উ: মূত্রকন্ত্রের অংশ
১৮. ১৯৭২ সালের ৩০শে জানুয়ারি নিখোঁজ ও শহীদ হন কে?
উ: জহির রায়হান
১৯. কোনটি ছোঁয়াচে রোগ নয়?
উ: AIDS
২০. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন জন্মগ্রহণ করেন কোন জেলায়?
উ: রংপুর
২১. কবি বিহারীলালকে ভোরের পাখি কে বলেছেন?
উ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২২. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
উ: ৬টি
২৩. আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার কোনটি নয়?
উ: Fruits
২৪. নিচের কোনটি মানবদেহের পুলিশ ম্যান হিসেবে কাজ করে?
উ: শ্বেত কণিকা
২৫. একজন স্বাভাবিক সুস্থ মহিলার গর্ভকালীন সময়ে গড়ে কত কেজি ওজন বাড়তে পারে?
উ: ১২ কেজি
২৬. মানুষের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
উ: ৪টি
২৭. পৃথিবীর উপর কার আকর্ষণ বেশি?
উ: চন্দ্রের
২৮. জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে মোটি কতটি প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয়?
উ: ৬টি
২৯. I congratulate you .... your success.
Ans: on
৩০. United we stand, divided we ......
Ans: fall
৩১. একটি পূর্ণবয়স্ক নবজাতকের ওজন কত কম হলে LBW বাচ্চা বলা হয়?
উ: ২.৫ কেজি
৩২. ইংল্যান্ডের রাণী যে প্রাসাদে বাস করেন তার নাম কি?
উ: বাকিংহাম প্যালেস
৩৩. She has been ill ........ Monday last.
Ans: since
৩৪. কোন কাব্যের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
উ: গীতাঞ্জলি
৩৫. Lactating mother কে কত ক্যালরী অতিরিক্ত খাবার দিতে হয়-
উ: ১০০ ক্যালরী
৩৬. Growth chart এ একটি শিশুর কোন তথ্যটি থাকে না?
উ: Blood Group
৩৭. গর্ভকালীন প্রসূতিসেবায় প্রথম তিন মাসে (First trimester) মাকে কি দিয়ে থাকি?
উ: ফলিক এসিড
৩৮. Exclusive Brest Feeding বলতে শিশু জন্মের কয়মাস বুঝায়?
উ: ছয় মাস
৩৯. বিদ্রোহী কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
উ: অগ্নিবীণা
৪০. Post Natal Complication কোনটি নয়?
উ: Influenza
৪১. শিশুদের রিকেট হয়-
উ: ভিটামির ডি এর অভাবে
৪২. যদি a-1/a=2 হয় তবে a^4+1/a^4=?
উ: 34
৪৩. জাতিসংঘ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উ: ১৯৪৫ সালে
৪৪. POST PARTUM HAEMORRHAGE এর প্রধান কারণ-
উ: Non contracting uterus
৪৫. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
উ: শেখ মুজিবুর রহমান
৪৬. প্র, পরা, অপ কোন ধরনের উপসর্গ?
উ: সংস্কৃত উপসর্গ
৪৭. গর্ভকালীন প্রসূতি সেবা কত বার নেয়া উচিত?
উ: ৪ বার
৪৮. পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চার সর্বাধিক মৃত্যুর কারণ কোনটি নয়?
উ: ক্যান্সার
৪৯. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বইটি লিখেছেন?
উ: চরিত্রহীন
৫০. ‘ছাড়পত্র’ কার রচিত কাব্যগ্রন্থ?
উ: সুকান্ত ভট্টাচার্য
৫১. Premature baby বলতে কোন সময়ে জন্মগ্রহণকারী শিশুকে বলা হয়?
উ: ২৮ সপ্তাহ-৩৭ সপ্তাহ
৫২. বাংলাদেশে ১০০০ জন শিশু জন্ম দিতে কতজন মা প্রতিবছর মৃত্যুবরণ করেন?
উ: ১.৭৬
৫৩. বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর জন্য কোন কারণটি বেশী?
উ: SEVERE BLEEDING (PPH)
৫৪. বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত?
উ: ২২/৭
৫৫. Management of First Stage of Labor এ কোন ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়?
উ: Oxytocin
৫৬. Choose the correctly spelt word
Ans: Leisure
৫৭. রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ-
উ: অক্সিজেন পরিবহন
৫৮. The abtonym of the word ‘evil’ is-
Ans: good
৫৯. মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
উ: বগুড়া
৬০. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উ: জাহানারা ইমাম
৬১. ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাস কে লিখেছেন?
উ: মীর মোশাররফ হোসেন
৬২. পল্লীকবি কাকে বলা হয়?
উ: জসীমউদদীন
৬৩. রক্তের তরল অংশের নাম?
উ: প্লাজমা
৬৪. কোনটি মানবদেহের জন্য ভালো কোলেস্টেরল?
উ: HDL
৬৫. ইসিজির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়?
উ: হার্টের
৬৬. কোন শব্দটি দেশী শব্দ নয়?
উ: পাউরুটি
৬৭. হেপাটাইটিস রোগের প্রধান কারণ?
উ: ভাইরাস
৬৮. পূর্ণবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ কোনটি?
উ: ১২০/১৮০
৬৯. মুনীর চৌধুরী শহীদ হন কত সালে?
উ: ১৯৭১
৭০. গর্ভকালীন সময়ে বিপদসংকেত কোনটি নয়?
উ: ওজন বৃদ্ধি
৭১. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
উ: ১৪ ডিসেম্বর
৭২. কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
উ: ইনসুলিন
৭৩. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষ বিশিষ্ট?
উ: এক কক্ষ
৭৪. গর্ভকালীন প্রসূতিবস্থা এর সময় কোন ল্যাবরেটরি পরীক্ষা জরুরি নয়?
উ: Cholesterol Level
৭৫. The patient will ... soon.
Ans: come round
৭৬. কমিউনিটি ক্লিনিকে কোন সেবা দেয়া হয় না
উ: বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা
৭৭. গ্লোমারোলোনেফ্রাইটিস কোন অংশের অসুখ?
উ: কিডনী
৭৮. খাবার স্যালাইন আবিষ্কারে মূল অবদান রাখে-
উ: ICDDRB
৭৯. গর্ভকালীন সময় কোন টিকা দিতে হয়?
উ: টিটেনাস
৮০. কোন উপাদানটি রক্তে হিমোগ্রোবিন তৈরি করে?
উ: লৌহ
৮১. Hurry up ..... you will be late.
Ans: or
৮২. What is the time ..... your watch?
Ans: by
৮৩. কোন পরীক্ষা গর্ভবতী মা’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?
উ: X-ray
৮৪. on behalf of means-
Ans: Act for
85. Everybody should .... their old parents.
Ans: Look after
86. Choose the correct sentence-
Ans: Would you mind closing the window?
87. আমার বন্ধু রাশেদ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
উ: মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৮৮. বর্তমান বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ রোগ কোনটি?
উ: AIDS
৮৯. Everybody should .. the truth.
Ans: look after
৯০. হেমোডায়ালাইসিস চিকিৎসা পদ্ধতি-
উ: কিডনী বিকলতার
৯১. নেগেটিভ রক্তের মাকে প্রথম শিশু জন্মের পর কোন ইনজেকশন দেয়া হয়?
উ: Anti D immunoglobulin
৯২. থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কি?
উ: বাথ
৯৩. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. a^2b (a+b) এবং গ.সা.গু. a(a+b)। একটি সংখ্যা a^3+a^2b হলে অপর সংখ্যাটি কত?
উ: a^2b+ab^2
৯৪. প্রোটিনের মৌলিক ইউনিট-
উ: Amino acid
৯৫. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
উ: ১১টি
৯৬. পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল কত?
উ: ১৫
৯৭. কোনটি Immunoglobin এর প্রকারভেদ নয়?
উ: IgF
৯৮. কতজন মানুষের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়েছে?
উ: ৬০০ জন
৯৯. জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি কোন বয়সী মহিলাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?
উ: ৪০ বছরের উপরে
১০০. ১৮০ ডিগ্রি এর চেয়ে বড় কিন্তু ৩৬০ ডিগ্রির চেয়ে ছোট কোণকে কি বলে?
উ: প্রবৃদ্ধ কোণ

ফুসফুসের ক্যানসারের লক্ষণ কী?



ফুসফুস ক্যানসার বেশ প্রচলিত একটি ক্যানসার। ধূমপানকে ফুসফুসের ক্যানসারের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। ফুসফুস ক্যানসারের লক্ষণ নিয়ে কথা বলেছেন ইউনাইটেড হাসপাতালের রেডিয়েশন অঙ্কোলজি বিভাগের পরামর্শক ডা. সৌমেন বসু।

প্রশ্ন : ফুসফুসের ক্যানসার বলতে কী বুঝি? প্রাথমিক পর্যায় থেকে এটি কীভাবে ক্যানসারে রূপ নেয়?
উত্তর : আসলে প্রথমে বলতে হয়, ফুসফুসের ক্যানসার কী কারণে হয়, এ বিষয়ে। আসলে আমরা তো মূলত কোনো ক্যানসারের কারণই জানি না। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় আছে, যেটি হলে দেখা গেছে, এটি হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সেখানে দেখা গেছে, ধূমপানের সাথে ফুসফুসের ক্যানসারের একটি শক্ত যোগসাজশ আছে। এটি একটি কারণ। এটি আমরা পরীক্ষার মাধ্যমে দেখেছি।
ফুসফুসের ক্যানসার হলে প্রথমেই মানুষ আমাদের কাছে আসেন না। অনেক দেরি করে আসেন। কেন? এরও কারণ রয়েছে। রোগটা যে ভেতরে হয়েছে সেটি তো মানুষ বুঝতে পারে না। আমরা সাধারণত নিজেরাই চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কোনো কারণ ছাড়া এক্স-রে বা সিটি স্ক্যান করাই না। সে নিজে কিন্তু  বিষয়টি অনুভব করতে পারে না। তখনই অনুভব করে যখন তার কোনো কষ্ট হয়।
সেই কষ্টটা কী কী হতে পারে? শুকনো কাশি হতে পারে। কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। বুকে ব্যথা হতে পারে। এই জিনিসগুলো হলেই সাধারণত মানুষ চিকিৎসকের কাছে যায়। তখন আমরা দেখি এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে, এ ছাড়া নতুন  যে পদ্ধতি এসেছে পেটসিটি তার মাধ্যমেও আমরা রোগকে নির্ণয় করতে পারি। এ ছাড়া বায়োপসিও করতে হয়। নয়তো কখনোই সেটি নির্ধারণ করা যায় না।
ডা. সৌমেন বসু।
প্রশ্ন : আপনি বলছিলেন কষ্ট অনুভব করতে না পারলে রোগী চিকিৎসকের কাছে আসে না। তাহলে যখন সমস্যাটি নিয়ে আসে তখন কী চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হওয়ার সময়টি থাকে?
উত্তর : কিছু কিছু ক্ষেত্রে থাকে। তবে সেটি খুবই কম। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেটি একটু অগ্রবর্তী পর্যায়ে চলে যায়। কারণ, ফুসফুসের ক্যানসারের প্রধান চিকিৎসা, যেটি রোগকে সারিয়ে তুলতে পারে, সেটি হলো সার্জারি। খুব ছোট পর্যায়ে না থাকলে সার্জারি করে কোনো লাভ হয় না। সেই্ কারণে সার্জারির কথা আমাদের সবসময় মাথায় রাখতে হবে। যদিও খুবই কম সংখ্যক রোগীই আছেন, যারা সার্জারির দিকে যেতে পারে।
আর সার্জারি যদি করা সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ কী? ক্যানসার এমন একটি রোগ যেটি কিন্তু কেবল একটি জায়গায় হয় না।  তাই আমাদের সারা শরীরের যত্ন নিতে হবে, নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গের নয়। যেহেতু এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, আমাদের এমন কিছু চিকিৎসা করতে হয়, যেটি সারা শরীরে কাজ করবে। এই জন্য ক্যামোথেরাপি দিতে হয়। এখন নতুন কিছু ওষুধ এসেছে, সেগুলোকে আমরা ব্যবহার করি। এখানে রেডিওথেরাপির একটি ভূমিকা রয়েছে।
রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে যখন আমরা রোগীকে পাই, পর্যায় ২ বা পর্যায় ৩ -এ। এখানে আমরা ক্যামো ও রেডিয়েশন একসঙ্গে করতে পারি। অথবা প্রথমে ক্যামোথেরাপি দিয়ে দিতে পারি। আর যখন রোগটি পর্যায় ৪- এ আসে, তখন রোগটি হাড় বা মস্তিস্কে ছড়িয়ে যায়। তখনো কিন্তু আমাদের রেডিয়েশন ব্যবহার করতে হয়। রেডিয়েশনের ব্যবহার একদম শেষ পর্যায় পর্যন্ত রয়েছে।
প্রশ্ন : ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধের উপায় কী?
উত্তর : ধূমপান পুরোপুরি ত্যাগ করে দেওয়া  ফুসফুস ক্যানসার প্রতিরোধের উপায় অবশ্যই। তবে সব স্তর থেকেই জিনিসটি আসা দরকার। আপনি যদি জাতীয় পর্যায় চিন্তা করেন, ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কিন্তু জাতীয় ভাবে প্রতিরোধের কথাও বলা হচ্ছে। কারণ, যারা আমাদের দেশের নীতিনির্ধারক তাদের কিছু ভূমিকা রয়েছে। সেই সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিটিতে যাঁরা আছেন তাঁদের কিছু ভূমিকা আছে এবং আমরা যারা স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি তাঁদেরও কিছু ভূমিকা আছে। এই প্রতিটা জায়গায় আমাদের ভূমিকা আছে, যেখানে আমরা ধূমপানবিরোধী কার্যক্রমগুলো করতে পারি। মানুষকে যদি সঠিকভাবে বোঝানো যায়, এর কুফলটা কী, ধীরে ধীরে হলেও মানুষ কিন্তু বুঝতে পারবে। ধূমপান যদি বন্ধ করে দেওয়া যায়, রোগীর সংখ্যা অনেক কমে যাবে। শুধু ফুসফুসের রোগ নয়, শরীরের অনেক রোগই কিন্তু কমে আসবে এবং ফুসফুসের আরেকটি রোগ সিওপিডিও কমে আসবে। সেই জিনিসগুলো সব সম্ভব যদি আমরা একটি দিকে নজর দেই।
জাতীয় ও ব্যক্তিগত সব পর্যায়ে আমাদের এখানে কাজ করতে হবে। আমাদের আশপাশে যাঁরা আছেন তাঁদের সেই বার্তা দিতে হবে, এর কুফল কী জানাতে হবে।
প্রশ্ন : যে রোগীটি এ জাতীয় সমস্যায় ভুগছে তার জন্য আপনাদের পরামর্শ কী থাকে?
উত্তর : আমরা সবসময় বলি ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার জন্য। বেশিরভাগ রোগীই ছেড়ে দেয়। তবে তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। কারণ, এই চিকিৎসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেখেছি কিছু মানুষ আছে যারা ধূমপান ছাড়তে পারে না। যাদের চিকিৎসা চলাকালীনও তারা ধূমপান করতে থাকে। তাদের আমরা বারবার ধূমপান করতে বারণ করি।
কারণ, ক্যামোথেরাপি বা রেডিয়েশন চলার সময় যদি সে ধূমপান করে, তখন কাজ করে না।এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও খুব বেড়ে যায়। সেটা মানুষের বোঝার দরকার আছে।
খালি পেটে যেসব খাবার কখনো খাবেন না

খালি পেটে যেসব খাবার কখনো খাবেন না

সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনই সঠিক সময়ে খাওয়া আরো বেশি প্রয়োজন। সাম্প্রতির গবেষণায় উঠে এসেছে, কিছু খাবার খালি পেটে খাওয়া একেবারের স্বাস্থ্যসম্মত নয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন অনেক পুষ্টিকর খাবার রয়েছে যা সকালে খালি পেটে খাওয়া অনুচিত। এই খাবারগুলিতে অ্যাসিডের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে যা পেটে গেলে অন্ত্রের ক্ষতি করে ও নানা সমস্যার জন্ম দেয়। তাই পুষ্টিকর খাবার মানেই যে তা যেকোনো সময় খাওয়া যায় এমনটা নয়। সোডা জাতীয় পানীয় এমনিতেই সোডা জাতীয় পানীয় বেশি খাওয়া ভালো নয়। তার উপরে সকালে খালি পেটে তা খাওয়া একেবারেই অনুচিত। এর মধ্যে থাকা অ্যাসিড পেটের মারাত্মক ক্ষতি করে। টম্যাটো এমনিতে পুষ্টিকর হলেও খালি পেটে টম্য়াটো খাওয়া বিপদের। এর মধ্যে থাকা অ্যাসিড গ্যাসের সমস্যা তৈরি করে। পেটে স্টোনও হতে পারে এটি খালি পেটে খেলে। ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খালি পেটে কোনো ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। মশলাদার খাবার মশলাজাতীয় খাবার খাওয়া আমরা সকলেই পছন্দ করি। তবে সাতসকালে কালি পেটে বেশি মশলাজাতীয় খাবার পেটে পড়লে অ্যাসিডিটির সমস্যা ছাড়াও অনেক সমস্য়া হতে পারে। কফি ক্লান্তি দূর করতে কফি দারুণ কাজ দেয়। তবে সকালে খালি পেটে কফি খাওয়া কাজের কথা নয়। এর মধ্যে থাকা উপাদান খালি পেটের জন্য ভালো নয়। একান্তই খেতে হলে এক গ্লাস অন্তত জল খেয়ে খেতে হবে। চা কফির মতোই চা-ও পানীয় হিসাবে যথেষ্ট পুষ্টিকর তবে একেবারে খালি পেটে তা খেলে কাজের চেয়ে ক্ষতি বেশি করবে। দই দইয়ের নানা উপকারি গুণ রয়েছে তবে খালি পেটে তা খেলে পেট খারাপ হওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা থেকে যায়। কলা কলার পুষ্টিগুণ অনেক তবে খালি পেটে কলা খেলে শরীরে ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়ামের ভারসাম্য বিগড়ে যায়। তাই কিছুর সঙ্গে কলা খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। মিষ্টি আলু মিষ্টি আলুতে রয়েছে ট্যানিন ও পেকটিন যা খালি পেটে শরীরে গেলে গ্যাসের সমস্যা ও বুক জ্বালার সমস্যা হতে পারে।
নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে রসুনের রস

নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে রসুনের রস

Garlic extract reduces hair fall, head, skin infections and dandruff away. It even helps to grow new hair. According to experts, oily hair and scalp planted garlic juice on your new hair grow much faster. Elisina because there are plenty of garlic juice. It increases the circulation of blood hemoglobin, which helps to grow new hair. Copper also has plenty rasune, which makes hair thick and healthy. নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে রসুনের রস রসুনের রস চুল পড়া কমায়, মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করে। এমনকি এটি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত আপনার মাথায় নতুন চুল গজাবে। কারণ রসুনের রসে প্রচুর পরিমাণে এলিসিন থাকে। এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রসুনে প্রচুর পরিমাণে কপার রয়েছে, যা চুলকে ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। কীভাবে চুলে রসুনের রস ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে তিনটি ধাপের কথা বলা হয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ে। প্রথম ধাপ: প্রথমে রসুন পেস্ট করে এর রস বের করে নিতে হবে।এরপর একটি এয়ার টাইট বোতলে তা সংরক্ষণ করতে হবে। যাতে যখন প্রয়োজন তখন তেলের মতো করে এই রস চুলে ব্যবহার করা যায়। দ্বিতীয় ধাপ: চুল শুষ্ক হলে গোলাপজলের পানিতে তা আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গোলাপজল চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই আধাঘণ্টা পর ভালো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগাতে হবে। তৃতীয় ধাপ: চুলে রসুনের রস লাগিয়ে আধাঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চিরুনি দিয়ে তা আঁচড়াতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এবার চুলে ভালো করে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এর ১৫ মিনিট পর কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। পরামর্শ: • যাদের চুল বেশি পড়ে, তারা রসুনের রস সপ্তাহে অন্তত দুদিন ব্যবহার করুন। দেখবেন এক মাসের মধ্যে আপনার মাথায় নতুন চুল গজাবে। • আপনার মাথার তালুতে যদি ক্ষত থাকে, তাহলে রসুনের রস ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এটি ব্যবহারে ক্ষত আরো বেড়ে যেতে পারে। • রসুনের রস লাগানোর আগে যাদের চুল তৈলাক্ত, তাদের চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এই খাবারটি আর কিছুদিন খেলে মারা যাবেন আপনি!

এই খাবারটি আর কিছুদিন খেলে মারা যাবেন আপনি!

Using a variety of everyday food coriander flavor dishes and flavors for a change . Koriyanadrama syatibhama coriander scientific name . But have you ever imagine that some of these tasty dishes can be side effects ? এই খাবারটি আর কিছুদিন খেলে মারা যাবেন আপনি! নিত্যদিনের বিভিন্ন খাবারে ধনেপাতা ব্যবহার করে থাকেন খাবারের গন্ধ এবং স্বাদে একটা পরিবর্তন আনার জন্য। ধনেপাতার বৈজ্ঞানিক নাম হল কোরিয়ানড্রাম স্যাটিভাম। কিন্তু কখনও কি কল্পনা করেছেন যে এই সুস্বাদু খাবারটির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি কথা হল, এই সুপরিচিত সবুজ সবজিটির অনেক ঔষধি গুণাগুণের পাশাপাশি অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিদ্যমান। যা নিয়মিত খেলে আমাদের শরীর দিনদিন অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। লিভারের ক্ষতিসাধন অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে এটি লিভারের কার্যক্ষমতাকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এতে থাকা এক ধরনের উদ্ভিজ তেল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রান্ত করে ফেলে। এছাড়া এটাতে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যেটা সাধারণত লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে কিন্তু দেহের মাঝে এর অতিরিক্ত মাত্রার উপস্থিতি লিভারের ক্ষতিসাধন করে। নিম্ন রক্তচাপ অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়ার ফলে দেহের হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলে, যার ফলে নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই ধনেপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে নিম্ন রক্তচাপের উদ্ভব ঘটতে পারে। এছাড়া এটি হালকা মাথাব্যথারও উদ্রেক করতে পারে। পেট খারাপ স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বিষয়ক সমস্যা দূর করে থাকে কিন্তু বেশি পরিমাণে ধনেপাতা সেবন পাকস্থলীতে হজমক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এক সপ্তাহে ২০০ এমএল ধনেপাতা আহারে গ্যাসের ব্যথা ওঠা, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে ওঠা, বমি হওয়া হওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়। ডায়রিয়া ধনেপাতা অল্প খেলে পেটের সমস্যা দূর হয় কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া এর ফলে ডিহাইড্রেশন হতে থাকে। ফলে ডায়রিয়ার সমস্যাটি হতেই থাকে। তাই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিনের খাবারে ধনেপাতা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন। নিঃশ্বাসের সমস্যা আপনি যদি শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই ধনেপাতা আহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা করে থাকে যার ফলে ফুসফুসে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। এই ধনেপাতা খেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোট নিশ্বাস নিতেও সমস্যা তৈরি হয়। বুকে ব্যথা অতিরিক্ত ধনেপাতা আহারে বুকে ব্যথার মত জটিল সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এটা শুধুমাত্র অস্বস্তিকর ব্যথাই সৃষ্টি করে না তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়ে থাকে। এজন্য এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দৈনন্দিন আহারে কম করে এই ধনেপাতা খেতে পারেন। ত্বকের সংবেদনশীলতা সবুজ ধনেপাতাতে মোটামুটিভাবে কিছু ঔষধি অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যেটি ত্বককে সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচিয়ে সংবেদনশীল করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে সূর্যের রশ্মি একেবারেই ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না ফলে ত্বক ভিটামিন কে থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ধনেপাতা ত্বকের ক্যান্সার প্রবণতাও তৈরি করে থাকে। অ্যালার্জীর সমস্যা ধনেপাতার প্রোটিন উপাদানটি শরীরে আইজিই নামক অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে সমানভাবে বহন করে থাকে। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে অ্যালার্জীর তৈরি হয়। এই অ্যালার্জীর ফলে দেহে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা, র্যা শ ওঠা এই ধরনের নানা সমস্যা হয়ে থাকে। প্রদাহ অতিরিক্ত ধনেপাতা সেবনের আরেকটি বিশেষ পার্শ্ব প্রতক্রিয়া হল মুখে প্রদাহ হওয়া। এই ঔষধিটির বিভিন্ন এসিডিক উপাদান যেটি আমাদের ত্বককে সংবেদনশীল করে থাকে পাশাপাশি এটি মুখে প্রদাহেরও সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এর ফলে ঠোঁট, মাড়ি এবং গলা ব্যথা হয়ে থাকে। এর ফলে সারা মুখ লাল হয়েও যায়। ভ্রূণের ক্ষতি গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়া ভ্রূণের বা বাচ্চার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। ধনেপাতাতে থাকা কিছু উপাদান মহিলাদের প্রজনন গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে মহিলাদের বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং বাচ্চা ধারণ করলেও গর্ভকালীন ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।