Updates :
Loading...
Showing posts with label খেলাধুলার খবর. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলার খবর. Show all posts

আর্জেন্টিনার জার্সিতে আবারও ফিরছেন মেসি


জাতীয় দল থেকে তাঁর অবসরই ছিল নাটকীয়তায় ঘেরা। নাটক চলেছে অবসর কাটিয়ে আবার আর্জেন্টিনা দলে তাঁর ফেরা নিয়েও। ‘আলবিসেলেস্তে’ সমর্থকদের উদ্বেগও তাই ছিল, লিওনেল মেসি কি আদৌ আকাশি-সাদা জার্সিতে আবার দেখা দেবেন? দিলেও সেটি কবে?

প্রশ্নগুলোর উত্তর নিজেই দিয়ে দিলেন মেসি। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড আবার জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মেসির ব্যবস্থাপনা সংস্থা তাঁর বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যাতে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বলেছেন, ‘অবসর নেওয়ার ব্যাপারটা বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই ভেবেছিলাম। কিন্তু দেশের প্রতি, এই জার্সিটার প্রতি আমার ভালোবাসা অনেক বেশি।’

গত জুনে শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে যাওয়ার পর হঠাৎই জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। তবে দলের প্রাণভোমরাকে আবারও ফেরানোর ব্যাপারে কথা বলতে বার্সেলোনায় এসেছিলেন আর্জেন্টিনার নতুন কোচ এদগার্দো বাউজা। আর্জেন্টিনা ভক্তদের সুখবরের আভাসও আগেই দিয়ে রেখেছিলেন।

বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর বাউজার বিশ্বাস ছিল, মেসি ফিরবেন, এবং সেটি সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচের আগেই হতে পারে। বৃহস্পতিবার মেসির সঙ্গে কথা বলার পর দেশে ফিরে সাংবাদিকদের বাউজা বলেছেন, ‘আমার মনে কোনো সংশয়ই নেই যে, ও (মেসি) আবারও জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চায়। ফেরার জন্য ওর মধ্যে আকুলতা দেখেছি আমি।’

প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার হুয়ান গাম্পার ট্রফিতে সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। সেই ম্যাচটি ন্যু ক্যাম্পের গ্যালারিতে বসেই দেখেছেন বাউজা। নতুন কোচের সামনে বেশ আলোও ছড়ালেন মেসি, বার্সেলোনার ৩-২ গোলে জয়ের জোড়া গোল করেছেন, সুয়ারেজের গোলটিতেও সহায়তা করেছেন দুর্দান্ত ওভারহেড কিকে। ম্যাচের পর মেসির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাউজা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মেসির বার্সেলোনা-সতীর্থ, আর্জেন্টাইন তারকা হাভিয়ের মাচেরানোও।

প্রাথমিকভাবে অবশ্য মেসির সঙ্গে শুধু ফুটবল নিয়েই কথা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বাউজা। তবে পরে জানিয়েছিলেন, মেসির জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাই বেশি। সেপ্টেম্বরে উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটায় (আর্জেন্টাইন সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা) দল ঘোষণার কথা ছিল আর্জেন্টিনা কোচের। তার আগে মেসির সঙ্গে কথা বলবেন জানিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। বিকেলে দল ঘোষণার আগে ওকে ফোন করব।’

উত্তরটা ইতিবাচকই পেলেন বাউজা। সুখবর পেল আর্জেন্টিনাও।

সূত্র: এএফপি, ইএসপিএন।

কোপা আমেরিকার সময় সূচি ভারতীয় ও বাংলাদেশর অনুযায়ী


৪ জুন - আমেরিকা বনাম কলম্বিয়া - সকাল ৭ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৭:৩০ টায় ৫ জুন - কোস্টারিকা বনাম প্যারাগুয়ে - সকাল ২.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৩ টায় ৫ জুন - হাইতি বনাম পেরু - সকাল ৫ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৫:৩০ টায় ৫ জুন - ব্রাজিল বনাম ইকুয়েডর - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল সকাল ৮টায় ৬ জুন - জামাইকা বনাম ভেনেজুয়েলা - সকাল ২.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৩ টায় ৬ জুন - মেক্সিকো বনাম উরুগুয়ে - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ৭ জুন - পানামা বনাম বলিভিয়া - সকাল ৪.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৫ টায় ৭ জুন - আর্জেন্টিনা বনাম চিলি - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮টায় ৮ জুন - আমেরিকা বনাম কোস্টারিকা - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ৮ জুন - কলম্বিয়া বনাম প্যারাগুয়ে - সকাল ৮ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৮:৩০ এ ৯ জুন - ব্রাজিল বনাম হাইতি - সকাল ৫ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৫:৩০ টায় ৯ জুন - ইকুয়েডর বনাম পেরু - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮টায় ১০ জুন - উরুগুয়ে বনাম ভেনেজুয়েলা - সকাল ৫ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৫:৩০ টায় ১০ জুন - মেক্সিকো বনাম জামাইকা - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮ টায় ১১ জুন - চিলি বনাম বলিভিয়া - সকাল ৪.৩০ এ এবং বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ১১ জুন - আর্জেন্টিনা বনাম পানামা - সকাল ৭ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৭:৩০ টায় ১২ জুন - আমেরিকা বনাম প্যারাগুয়ে - সকাল ৪.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৫ টায় ১২ জুন - কলম্বিয়া বনাম কোস্টারিকা - সকাল ৬.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৭ টায় ১৩ জুন - ইকুয়েডর বনাম হাইতি - সকাল ৪ টেয় এবং বাংলাদেশ সকাল ৪:৩০ এ ১৩ জুন - ব্রাজিল বনাম পেরু - সকাল ৬ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৬:৩০ টায় ১৪ জুন - মেক্সিকো বনাম ভেনেজুয়েলা - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ১৪ জুন - উরুগুয়ে বনাম জামাইকা - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮ টায় ১৫ জুন - চিলি বনাম পানামা - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ১৫ জুন - আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮ টায় ১৭ জুন - প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল (1A VS 2B) - সকাল ৭ টায় এবং বাংলাদেশ সকাল ৭:৩০ ১৮ জুন - দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল (2A VS 1B) - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ১৯ জুন - তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল (1D VS 2C) - সকাল ৪.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৫ টায় ১৯ জুন - চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনাল (2D VS 1C) - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮ টায় ২২ জুন - প্রথম সেমিফাইনাল - সকাল ৬.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৭ টায় ২৩ জুন - দ্বিতীয় সেমিফাইনাল - সকাল ৭.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৮ টায় ২৬ জুন - তৃতীয় স্থান নির্ধারণকারী ম্যাচ - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় ২৭ জুন - ফাইনাল - সকাল ৫.৩০ এ এবং বাংলাদেশ সকাল ৬ টায় সব ম্যাচ দেখা যাবে সোনি ইএসপিএন এবং সোনির অন্য সব চ্যানেলে

কোপায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কে কতবার চ্যাম্পিয়ন দেখে নিন


ক্যালেন্ডারের হিসেবে কোপা আমেরিকা শুরু হল ৩ জুন থেকে। কিন্তু আপনি বাংলাদেশী হলে আজ সকালেই মানে ৪ জুন দেখেছেন কোপার প্রথম ম্যাচ। সদ্য আয়োজক দেশ প্রথম ম্যাচে নেমেছে এবং হেরেছে। ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা নিয়েই তো আমাদের বেশি মাতামাতি। তা এক নজরে দেখে নিন কোপা আমেরিকায় কে কতবার চ্যাম্পিয়ন।
*) সবথেকে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। মোট ১৫ বার।
*) এরপরেই আর্জেন্টিনা। মারাদানো-মেসির দেশ চ্যাম্পিয়ন ১৪ বার।
*) ব্রাজিল রয়েছে তৃতীয় স্থানে। পেলের দেশ চ্যাম্পিয়ন ৮ বার।
*) প্যারাগুয়ে চ্যাম্পিয়ন ২ বার।
*) পেরু চ্যাম্পিয়নও ২ বার।
*) চিলি চ্যাম্পিয়ন ১ বারই।
*) কলম্বিয়া চ্যাম্পিয়ন ১ বার।
*) বলিভিয়াও চ্যাম্পিয়ন ১ বার।

কোপা আমেরিকার সময়সূচী


কোপা আমেরিকার সময়সূচী :

গ্রুপ-এ : যুক্তরাষ্ট্র, কলম্বিয়া, কোস্টা রিকা, প্যারাগুয়ে,

৩ জুন : যুক্তরাষ্ট্র বনাম কলম্বিয়া, সান্টা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া

৪ জুন : কোস্টা রিকা বনাম প্যারাগুয়ে, ওরলান্ডো, ফ্লোরিডা

৭ জুন : যুক্তরাষ্ট্র বনাম কোস্টা রিকা, শিকাগো, ইলিনোয়িস

৭ জুন : কলম্বিয়া বনাম প্যারাগুয়ে, প্যাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়া

১১ জুন : কলম্বিয়া বনাম কোস্টা রিকা, হাউস্টোন, টেক্সাস

১১ জুন : যুক্তরাষ্ট্র বনাম প্যারাগুয়ে, ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভেনিয়া


গ্রুপ-বি : ব্রাজিল, ইকুয়েডর, হাইতি, পেরু

৪ জুন : ব্রাজিল বনাম ইকুয়েডর, প্যাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়া

৪ জুন : হাইতি বনাম পেরু, সিটল, ওয়াশিংটন

৮ জুন : ইকুয়েডর বনাম পেরু, গ্লেনডেল, এ্যারিজোনা

৮ জুন : ব্রাজিল বনাম হাইতি, ওরলান্ডো, ফ্লোরিডা

১২ জুন : ইকুয়েডর বনাম হাইতি, ইস্ট রাদারফোর্ড, নিউ জার্সি

১২ জুন : ব্রাজিল বনাম পেরু, ফক্সবোরো, ম্যাসাচুসেটস




গ্রুপ-সি : মেক্সিকো, উরুগুয়ে, জ্যামাইকা, ভেনিজুয়েলা

৫ জুন : জ্যামাইকা বনাম ভেনিজুয়েরা, শিকাগো, ইলিনোয়িস

৫ জুন : মেক্সিকো বনাম উরুগুয়ে, গ্লেনডেল, এ্যারিজোনা

৯ জুন : মেক্সিকো বনাম জ্যামাইক, প্যাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়া

৯ জুন : উরুগুয়ে বনাম ভেনিজুয়েলা, ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভেনিয়া

১৩ জুন : মেক্সিকো বনাম ভেনিজুয়েলা, হাউস্টোন, টেক্সাস

১৩ জুন : উরুগুয়ে বনাম জ্যামাইকা, সান্টা ক্লারা


গ্রুপ-ডি : আর্জেন্টিনা, চিলি, পানামা, বলিভিয়া

৬ জুন : আর্জেন্টিনা বনাম চিলি, সান্টা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া

৬ জুন : পানামা বনাম বলিভিয়া, ওরলান্ডো, ফ্লোরিডা

১০ জুন : আর্জেন্টিনা বনাম পানামা, শিকাগো, ইলিনোয়িস

১০ জুন : চিলি বনাম বলিভিয়া, ফক্সবোরো, ম্যাসাচুসেটস

১৪ জুন : চিলি বনাম পানামা, ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভেনিয়া

১৪ জুন : আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া, সিটল, ওয়াশিংটন


কোয়ার্টার ফাইনাল :


১৬ জুন : প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল, ১এ বনাম ২বি, সিটল, ওয়াশিংটন

১৭ জুন : দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল, ১বি বনাম ২এ, ইস্ট রাদারফোর্ড, নিউ জার্সি

১৮ জুন : তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল, ১ডি বনাম ২সি, ফক্সবোরো, ম্যাসাচুসেটস

১৮ জুন : চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনাল, ১সি বনাম ২ডি, ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া




সেমিফাইনাল :

২১ জুন : প্রথম সেমিফাইনাল, ১ম কোয়ার্টার ফাইনাল বিজয়ী বনাম ৩য় কোয়ার্টার ফাইনাল বিজয়ী, হাউস্টোন, টেক্সাস

২২ জুন : দ্বিতীয় সেমিফাইনাল, ২য় কোয়ার্টার ফাইনাল বিজয়ী বনাম ৪র্থ কোয়ার্টার ফাইনাল বিজয়ী, শিকাগো, ইলিনোয়িস


তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচ :

২৫ জুন : প্রথম সেমিফাইনালে বিজিত দল বনাম দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বিজিত দল, গ্লেনডেল, এ্যারিজোনা

ফাইনাল :

২৬ জুন : প্রথম সেমিফাইনালে বিজয়ী দল বনাম দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বিজয়ী দল, ইস্ট রাদারফোর্ড, নিউ জার্সি

#সংগৃহীত

জেনে নিন ২০১৬ সালের আইপিএলে কে কী পুরস্কার পেলেন


জেনে নিন ২০১৬ সালের আইপিএলে
কে কী পুরস্কার পেলেনঃ-

.
১. ফেয়ার প্লে ট্রফি: সানরাইজার্স
হায়দারাবাদ, একটা ট্রফি।
.
২. সেরা উদীয়মান ক্রিকেটার :
মুস্তাফিজুর রহমান, ১০ লাখ রুপি এবং
ট্রফি।
.
৩. দ্রুতগতির হাফ সেঞ্চুরি : ক্রিস মরিস,
১৭ বলে। ১০ লাখ রুপি এবং ট্রফি।
.
৪. আইপিএলের ইয়েস ব্যাংক
ম্যাক্সিমাম: বিরাট কোহলি, ট্রফি
এবং ১০ লাখ রুপি।
.
৫. সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরে সেরা
ফিল্ডার: এবি ডি ভিলিয়ার্স। ১০
লাখ রুপি এবং ট্রফি।
.
৬. সবচেয়ে গ্ল্যামারার্স শট
খেলেছেন: ডেভিড ওয়ার্নার। ১০ লাখ
রুপি এবং ট্রফি।
.
৭. আসরের সেরা ক্যাচ : সুরেশ রায়না,
ট্রফি এবং ১০ লাখ রুপি।
.
৮. বেশি রান সংগ্রাহক হিসেবে
অরেঞ্জ ক্যাপ : বিরাট কোহলি (৯৭৩
রান), ১০ লাখ রুপি এবং ক্রেস্ট।
.
৯. বেশি উইকেট সংগ্রাহক হিসেবে
পার্পল ক্যাপ : ভুবনেশ্বর কুমার (২৩
উইকেট), ১০ লাখ রুপি এবং ক্রেস্ট।
.
১০. মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার : বিরাট
কোহলি, ১০ লাখ রুপি এবং ট্রফি।
.
১১. রানারআপ : ফাইনালে পরাজিত
ব্যাঙ্গালুরুকে প্রাইজ মানি দেয়া
হয়েছে ১০ কোটি রুপি।
.
১২. আইপিএলের চ্যাম্পিয়ন: হিসেবে
সানরাইজার্স হায়দারাবাদ পেলো ১৫
কোটি রুপি।

চ্যাম্পিয়ন মুস্তাফিজের হায়দরাবাদ এলেন, খেললেন, জিতলেন! মাঠে নামা নিয়েই সংশয় ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। ম্যাচ শুরুর আগেই অবশ্য ফেসবুকে মুস্তাফিজ জানালেন


এলেন, খেললেন, জিতলেন! মাঠে নামা নিয়েই সংশয় ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। ম্যাচ শুরুর আগেই অবশ্য ফেসবুকে মুস্তাফিজ জানালেন, খেলছেন তিনি। খেললেন, জিতল তাঁর দলও। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ৮ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএল শিরোপা জিতে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
ফাইনালটি অবশ্য হয়েছে ঠিক ফাইনালের মতোই। শেষ ওভার পর্যন্ত ছিল টানটান উত্তেজনা। শেষ ৫ ওভারে বেঙ্গালুরুর প্রয়োজন ছিল ৫১ রান, হাতে ৭ উইকেট। এ অবস্থায় হায়দরাবাদের পক্ষে বাজি ধরার লোক ছিল না খুব বেশি। তবে ম্যাচসেরা বেন কাটিংয়ের করা ১৫তম ওভারে ঘুরে গেল ম্যাচের ভাগ্য, ৪ রানে নিলেন ১ উইকেট। পরের ওভারে কাঁটা হয়ে থাকা ওয়াটসনকেও ফেরালেন মুস্তাফিজ। শেষ চার ওভারে মুস্তাফিজ ও ভুবনেশ্বর কুমার দিলেন মাত্র ৩৮ রান। এই দুজনের বোলিংই নিশ্চিত করে দিল আবারও নিশ্বাস ফেলা দূরত্ব থেকে খালি হাতে ফিরতে হবে বেঙ্গালুরুকে।
অথচ ২০৯ তাড়া করতে নেমে ১০.২ ওভারে বিনা উইকেটেই ১১৪ রান করে ফেলেছিল বেঙ্গালুরু। ৩৮ বলে ৭৬ রান করে গেইল ফেরার পরই মড়ক লাগে বেঙ্গালুরু ইনিংসে। একটু পরে ফেরেন বিরাট কোহলি (৫৪) ও এবি ডি ভিলিয়ার্স (৫)।
এর আগে ৩৮ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৯ রান করে বড় স্কোরের ভিত্তি এনে দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেই ভিত্তি কাজে লাগিয়েছেন কাটিং, ১৫ বলে ৩৯ রানের ঝড় তুলে তিনিই দলকে নিয়েছেন ২০৮ রানের নিরাপদ দূরত্বে।
# সনি সিক্স।

ভারতের নাগরিক হচ্ছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স!


দক্ষিণ আফ্রিকার সুপার ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে চান। এর জন্য প্রয়োজনে এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলতে আগ্রহী।

আর ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে তো ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়েও খেলার সুযোগ আছে এ ব্যাটসম্যানের।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে এবারের আইপিএল খেলছেন ডি ভিলিয়ার্স। মিস্টার নাগ নামের এক ব্যক্তি দক্ষিণ আফ্রিকার এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ, এরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর এখন আইপিএল। প্রায় সাত মাসের বেশি সময় আপনি ভারতের মাটিতে রয়েছেন। এত দীর্ঘ সময় ধরে ভারতে রয়েছেন অথচ ভারতের নাগরিকত্ব নেবেন না কেন আপনি?

প্রশ্ন শুনেই ডি ভিলিয়ার্সের জবাব, ‘কেন নয়। আমি ভারতের নাগরিকত্ব নিতে চাই। এর জন্য আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলতে চাই।
#Collect from khelarkhabor

ঢাকাতে তৈরি হচ্ছে ১ লাখ আসনের অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম



ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য একটি অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে  তৈরি করতে যাচ্ছে  ১ লাখ আসনের অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। জানা গেছে, এ ষ্টেডিয়ামের নির্মাণের দায়িত্ব

থাকবে অস্ট্রেলীয় একটি প্রতিষ্ঠান।
বুধবার স্টেডিয়াম সাইট পরিদর্শন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। জাতীয় সংসদ ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির ২০তম বৈঠক শেষে কমিটির সদস্যরা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান কমিটি সভাপতি জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার, উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, কবিরুল হক, নাহিম রাজ্জাক এবং আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে দেবে নতুন ছন্দ (কপিল দেব)


ক্রিকেটের যেকোনো সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই রোমাঞ্চ। প্রবল উৎসাহ, আকাশচুম্বী প্রত্যাশা, উত্তেজনা—কোনো কিছুরই কমতি থাকে না। দুই দলের খেলোয়াড়েরা চেষ্টা করেন নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দিতে এবং এটি এমন এক ম্যাচ যাতে শেষ বলটা হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছুই বলা যায় না। যেকোনো টুর্নামেন্টে এটি একটা বড় আকর্ষণ এবং আজ রাতে ইডেন গার্ডেনে আরও একবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে দেবে নতুন ছন্দ।
ক্রিকেটপ্রেমীরাও এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছেন। কারণ এই ম্যাচের ফল এই গ্রুপেও বড় ভূমিকা রাখবে। নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে ভারত অবশ্যই চাপে আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে পাকিস্তান মানসিকভাবে বেশ চাঙা, ওই ম্যাচে শহীদ আফ্রিদিও ব্যাটিংয়ে তার বিধ্বংসী রূপটা দেখিয়েছে। ওর ফর্মে ফেরাটা পাকিস্তানের জন্য দারুণ ব্যাপার। ভারতকে অবশ্যই তার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
খেলোয়াড় হিসেবে আমার অভিষেকও হয়েছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে, ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে। ওই সফর নিয়ে আমার দারুণ কিছু স্মৃতি আছে। মাজিদ খান, সাদিক মোহাম্মদ, জহির আব্বাস, আসিফ ইকবাল, মুশতাক মোহাম্মদ, সরফরাজ নওয়াজ ও জাভেদ মিয়াঁদাদের মতো খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলাটা ছিল আসলেই বড় চ্যালেঞ্জ। সুনীল গাভাস্কার, মহিন্দর অমরনাথ, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ, এরাপল্লী প্রসন্ন ও বিষেন সিংয়ের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করাটাও ছিল দারুণ ব্যাপার। ওই সফরে পাকিস্তানেরই আধিপত্য ছিল। তবে আমার সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে শাহিওয়াল ওয়ানডে ম্যাচটির কথা।
কোয়েটা ও শিয়ালকোটে প্রথম দুটি ওয়ানডে শেষে সিরিজে ১-১ সমতা। শাহিওয়ালে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আমাদের জয়ের খুব কাছাকাছি মুহূর্তে পাকিস্তান এমন এক কৌশল নিল, যাতে আমরা খুবই মর্মাহত হলাম। পাকিস্তানের বোলাররা একের পর এক বাউন্সার দিতে থাকলেন, যেগুলো বিশ্বনাথের মাথার অনেক ওপর দিয়ে যেতে লাগল। কিন্তু আম্পায়াররা ওয়াইড ডাকলেন না। ব্যাটসম্যান প্রতিবাদ জানালেন। কিন্তু হাস্যকরভাবে আম্পায়ারদের পক্ষ থেকে বলা হলো, বিশ্বনাথ খাটো বলেই নাকি বল নাগালে পাচ্ছেন না! প্রতিবাদে আমরা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে এলাম এবং ম্যাচে পাকিস্তানকে বিজয়ী দেখানো হলো। ওই তিক্ত সফরের পরের সিরিজেই আমরা পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিলাম ঘরের মাঠে।
সত্তর ও আশির দশকে পাকিস্তান দুর্দান্ত একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল ছিল। ওরা সেই সামর্থ্য অর্জন করেছিল দেশের মাটিতে টেনিস বলের ক্রিকেট খেলে খেলে। আমাদের খেলোয়াড় আসত মূলত মুম্বাই থেকে। কিন্তু ১৯৮৩ বিশ্বকাপের পর পুরো ছবিটা বদলে যেতে লাগল। সারা দেশ থেকে খেলোয়াড় উঠে আসতে লাগল এবং দলটা অনেক লড়াকু হয়ে উঠল। ওই ধারাবাহিকতা এখনো আছে, এখনো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরগুলো থেকে ক্রিকেটার আসছে। পাকিস্তানে এটা ছিল অনেক আগে থেকেই।
আশির দশকে ভারত-পাকিস্তান লড়াই বড় আকর্ষণ হয়ে গেল এবং তখন দুই দল নিয়মিত মুখোমুখিও হতো। ১৯৮৪ সালে প্রথম এশিয়া কাপে শারজায় ভারত হারাল পাকিস্তানকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ক্রিকেটে ভারতীয় আধিপত্যের সেই শুরু, যা অব্যাহত ছিল ১৯৮৫ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও। আমরা দুবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হলাম এবং সহজেই জিতলাম। আমার এখনো মেলবোর্নের ফাইনালটার কথা মনে আছে। শিবরামাকৃষ্ণনের লেগ স্পিনে ওই ম্যাচটা প্রায় একতরফা হয়ে গিয়েছিল, সুনীল গাভাস্কার দুর্দান্ত রানআউট করলেন ইমরান খানকে। অধিনায়ক হিসেবে ওটা ছিল গাভাস্কারের শেষ ম্যাচ।
বছরের পর বছর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এমন বিনোদন দিয়ে আসছে। মুখোমুখি লড়াইয়ে আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাটা ছিল। আবার এমনও গেছে, যখন আমরা দীর্ঘদিন মুখোমুখি হইনি। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত দীর্ঘ এক দশক ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক কোনো সিরিজ খেলেনি। এখনো তো প্রায় এক দশক ধরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজটা বন্ধ আছে।
তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বৈশ্বিক আবেদন অসাধারণ। সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরাই চায় এই দুটি দেশ আরও মুখোমুখি হোক। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আমিরাতে হোক, এটা আমি চাই না। আমি চাই ভারত ও পাকিস্তানেই হোক। অবশ্য এই দুই দেশের ক্রিকেটে মুখোমুখি হওয়াটা অন্য অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে এবং সেগুলো ঠিক করে সরকার। ভারত-পাকিস্তান খেলার ব্যাপার আমি সব সময় আমার সরকারি নীতির সমর্থক। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড দ্বৈরথও আছে, তবে সেটি ভারত-পাকিস্তানের মতো নয়। যদি দুই দেশের সীমান্তে সমস্যা থাকে, আমিও পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে স্বস্তি বোধ করব না। তরুণ পাকিস্তানি ক্রিকেটার যারা ভারতে খেলতে চায় তাদের জন্য আমার সহমর্মিতা আছে, কিন্তু কিছু কিছু বিষয় সরকারের হাতেই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
দর্শকে ঠাসা ইডেন গার্ডেন নিশ্চয়ই আরও একটা জমজমাট ম্যাচ উপহার দেবে। জসপ্রীত বুমরার বিপক্ষে শহীদ আফ্রিদি কেমন খেলে, মোহাম্মদ ইরফানের বাউন্সার বিরাট কোহলি কীভাবে সামলায়—সবকিছু দেখাটা হবে আনন্দদায়ক। ধর্মশালায় এই ম্যাচটা হচ্ছে না বলে সেখানকার দর্শকদের জন্য আমার খারাপ লাগছে। কিন্তু এটাও সত্যি, ম্যাচটা বিশ্ব ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী এক ভেন্যুতেই ফিরে এসেছে। আরাম করে বসুন এবং জমজমাট এক লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকুন। (পিচ সলিউশন)

সামনের ম্যাচগুলোয় জিততে পারে বাংলাদেশ বললেন ওয়াসিম আকরাম


বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। আসলে প্রথম কয়েক ওভারেই খেই হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। তাদের শরীরী ভাষাতেও সেটা বোঝা যাচ্ছিল। এশিয়া কাপে ওরা সিমিং পিচে খেলেছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইডেন গার্ডেন ছিল ব্যাটিং উইকেট। তবে আমি এখনো মনে করি, ওরা বিপজ্জনক একটা দল। টুর্নামেন্টে এখনো সামনের ম্যাচগুলোয় জয়ের সম্ভাবনা তাদের আছে।
বাংলাদেশের সমস্যা হচ্ছে, তাদের কোনো বিগ হিটার নেই। তাদের সাকিব ও মুশফিকের মতো বেশ কয়েকজন চৌকস ক্রিকেটার আছে। সাকিব ফিফটি পাওয়ায় একটু আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। মাহমুদউল্লাহ ভালো করতে পারেনি, এটা বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে। শেষ দিকে ভালো করার জন্য বাংলাদেশের সাত বা আট নম্বরে একজন বিগ হিটার দরকার। মাশরাফি অবশ্য ব্যাট করতে পারে। তবে আমি ওকে আফ্রিদির মতো ওপরে উঠে আসতে বলব না। আফ্রিদি একসময় ওপেন করত, একজন বোলারের জন্য কাজটা আসলেই কঠিন।
পাকিস্তানকে খুবই নির্ভার মনে হয়েছে। মনে হয়েছে, সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণেই আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সহজ জয়ে সবচেয়ে বড় ব্যাপার ছিল তাদের শরীরী ভাষা। অধিনায়ককেও বেশ ভারমুক্ত মনে হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে এই জয়টা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য দরকার ছিল। সেমিফাইনালে যেতে হলে এখনো অবশ্য অনেক কিছুই করতে হবে।
আরেকটা বড় ব্যাপার, টপ অর্ডারের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানই রান পেয়েছে। এর আগে টপ অর্ডার সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি, এমনকি নিজেকে ওপরে নিয়ে আসার পর শহীদ আফ্রিদিও রান পেয়েছে। সব বিভাগই ভালো করেছে, ফিল্ডিংও ছিল দুর্দান্ত।
উপমহাদেশে ভালো করতে না পারলে ক্রিকেটাররা সব সময়ই চাপে থাকে। আফ্রিদিও ব্যতিক্রম নয়। ওকে নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁদের সবাইকে মোক্ষম জবাব সে দিয়েছে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, ব্যাটিং করেছে, উইকেটও পেয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে সে সবচেয়ে অভিজ্ঞ বোলারদের একজন। দল বা নিজে যখন কোণঠাসা থাকে, আফ্রিদি সব সময়ই ভালো করে। আমি ওর কাছ থেকে এটাই আশা করেছিলাম।
আহমেদ শেহজাদের ফেরাটা দারুণ হয়েছে। এশিয়া কাপে কেন ওকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেটা আমি জানি না। ওর পেছনে পাকিস্তান কম বিনিয়োগ করেনি। কিন্তু ওকে হয়তো শৃঙ্খলা বা পারফরম্যান্সর কারণে বাদ দেওয়া হলো। শেহজাদের মতো খেলোয়াড়দের সমর্থন দরকার, কারণ সে ফিল্ডার হিসেবেও দারুণ। খেলোয়াড় হিসেবে আরও পরিণত হচ্ছে। আমি ওকে দলে রাখার পক্ষে।
পাকিস্তানের বোলিং টুর্নামেন্টে সেরা কি না সেটা এখনই বলাটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তবে অন্যতম সেরা তো বটেই এবং শেষ পর্যন্ত পারফরম্যান্সই সেটি বলবে। বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আছে, প্রথম ম্যাচে তারা তিন বাঁহাতি বোলারকে নিয়ে নেমেছে। আফ্রিদি ও ইমাদের মতো দুজন স্পিনার আছে, আর শোয়েব মালিক তো আছেই।
ভারত যেভাবে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছে, তাতে পাকিস্তান ম্যাচের আগে একটু বেশিই চাপে থাকবে। তবে ভারতের এই দলটা দারুণ। তাদের আত্মবিশ্বাসও বেশি। তবে দুই দলের আগের দেখায় কী হয়েছিল, সেটা খেলোয়াড়দের কারও মনে থাকে না। আজ কী হচ্ছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ, তাই ভারত-পাকিস্তান দুই দলের জন্যই ১৯ মার্চ হবে নতুন একটা দিন।
ভারতের ব্যাটিং তাকিয়ে থাকবে কোহলির দিকে। আমার মনে হয় ওই দিন ভারতের ব্যাটসম্যানরা ১২৬ রান তাড়া করতে নেমে একটু ভড়কেই গিয়েছিল। কয়েকটা উইকেট পড়ার পরেই তারা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। তাদের জন্য ১৫ ওভারে ৭৫-৮০ রান রাখলেই চলত। যা-ই হোক, মাঝেমধ্যে এ রকম একটু-আধটু ঘটতেই পারে।
‘কোনো একদিন ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে বাংলাদেশ’

‘কোনো একদিন ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে বাংলাদেশ’

সৌরভ গাঙ্গুলির মুখে টাইগারদের নিয়ে প্রশংসা বহুবার শোনা গেলেও প্রথমবারের মতো বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রসংশা করলেন। বর্তমান সময়ে দারুণ ফর্মে থাকা টাইগারদের প্রশংসায় অমিতাভ মনে করেন, কোনো একদিন ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে বাংলাদেশ। অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী পরিচালিত নতুন ছবির শুটিং নিয়ে দিল্লীতে রয়েছেন অমিতাভ। শুটিং’র একফাঁকে বিশ্বকাপ টি-টুয়েন্টি এবারের আসর নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশ দল নিয়ে এমন মন্তব্য করেন বিগ বি। বলেন, আমি কখনো বাংলাদেশে যায়নি। তবে বাংলাদেশের খেলা হলে টেলিভিশনে আমি হাঁ করে খেলা দেখি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে যেভাবে খেলছে, এভাবেই যদি তারা খেলে যায় তাহলে একদিন ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে বাংলাদেশ। বিগ বি বললেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচটি আজ দারুণভাবে উপভোগ করবো। বাংলাদেশের জন্য আমার শুভেচ্ছা রইল। আজ বুধবার কলকাতা ইডেন গার্ডেনে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

Live: Bangladesh vs Pakistan, World T20 2016

For the recent performances of the tigers many cricket experts are considering Bangladesh team as the favourite of this match . Especially after their very good performances in Asia Cup T-20 2016 Bangladesh team had forced everyone to think newly about their ability . Bangladesh team has beat Pakistan team in their last five meeting in the shorter format of the game like One-day and T-20 . Their magnificent win over Pakistan in the Asia Cup T-20 , 2016 will surely help tigers to be confident before this important match of Group-2 . According to the sources Bangladesh will be able to come in the field with their full strength team as Mustafizur Rahman has recovered from the injury and it can be considered as an another plus points of Bangladesh team . Besides , Tamim’s and Sabbir’s present good form will definitely insist Bangladeshi spectators to dream big .

Very likely to the last few years the pacers will be the main strength for the Pakistan national cricket team . Especially the form of Mohammad Amir will help Pakistan team to set a good plan as well as to utilize it on the field .Along with Mohammad Amir the experienced fast bowlers Mohammad Irfan , Mohammad Sami and Wahab Riaz will have to click if Pakistan wants to take the result of this match in their way . Besides , Pakistan’s previous performances in World Cup Twenty20 will surely give them some confidence .
Time will say who will win this battle but one thing is sure that cricket lovers are going to witness an exciting cricketing action .


মাশরাফিদের কাবু করতে যে অস্ত্র ব্যবহার করবে পাকিস্তান

মাশরাফিদের কাবু করতে যে অস্ত্র ব্যবহার করবে পাকিস্তান

পেস বোলিং অ্যাটাককেই পাকিস্তান ক্রিকেটের নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে অ্যাখ্যা দিলেন কোচ ওয়াকার ইউনুস। তার মতে, সব ফরম্যাটের ক্রিকেটেই পেস বোলাররা পাকিস্তানকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব পালন করেন। একই সাথে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে দেশটির স্পিন অ্যাটাকও প্রয়োজনে ম্যাচ উইনারের ভূমিকা গ্রহণ করতে সক্ষম বলেও দাবি করেন ওয়াকার ইউনুস।
বিশ্বকাপে সুপার টেনের প্রথম ম্যাচে আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়বে পাকিস্তান। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। সম্প্রতি দল দু’টির মধ্যকার এশিয়া কাপের লড়াইয়ে বাংলাদেশের কাছে হেরে কঠোর সমালোচনা হজমও করল পাকিস্তান। ফলে আজ জয়ে মরিয়া হয়েই মাঠে নামবে ওয়াকারের দল। তার জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে বর্তমান পাকিস্তান দলে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পেস অ্যাটাক। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইডেনের উইকেটে মোহাম্মদ আমের, ওহাব রিয়াজ ও মোহাম্মদ ইফরান সামর্থ্যরে প্রমাণও রাখেন।
বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরুর আগেই পাকিস্তানের পেস অ্যাটাক স্বরূপে উদ্ভাসিত হওয়ার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গেছে কোচ ওয়াকার ইউনুসের। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে পাকিস্তানের কোচ বলেন, ‘অসম্ভব প্রতিভাবান পেস বোলার রয়েছে আমাদের হাতে। তাদের দিনে পাকিস্তান যেকোনো প্রতিপক্ষকেই হারিয়ে দিতে সক্ষম। অতীতেও এটি অহরহ ঘটেছে।’ ভারতের স্লো উইকেটে ম্যাচের ফলাফল গড়ে দিতে স্পিনারদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তবে এবারের পাকিস্তান দলে স্বীকৃত স্পিনার বলতে কেউই নেই। এর পরও ওয়াকার দাবি করেন, ব্যালান্সড স্পিন অ্যাটাক নিয়েই বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান।
ওয়াকার ইউনুস বলেন,‘সাঈদ আজমলকে দলে রাখা সম্ভব হয়নি ফর্মহীনতার কারণে। তবে ভালো একটি স্পিন অ্যাটাকও রয়েছে দলের সাথে।’ ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দাপুটে নৈপুণ্যেই প্রত্যাশা করছেন কোচ ওয়াকার।

র‍্যাঙ্কিংয়ে তামিমের বড় লাফ!


ক্রীড়া ডেস্ক : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে দুর্দান্ত খেলেছেন তামিম ইকবাল। তিন ম্যাচে করেছেন ২৩৩ রান। এমন ঝলমলে পারফরম্যান্সের পুরস্কারও হাতেনাতে পেলেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৯ ধাপ এগিয়ে ৩৩ নম্বরে উঠে এসেছেন ওমানের বিপক্ষে অপরাজিত ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা তামিম। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন সাব্বির রহমানও। ২ ধাপ এগিয়ে ১৮ নম্বরে উঠেছেন তিনি। তবে সাকিব আল হাসানের অবনতি হয়েছে। চার ধাপ পিছিয়ে ২৯ নম্বরে নেমে গেছেন সাকিব। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ।

নিজেদের ফেবারিট মানছেন না মাশরাফি




সংবাদ সম্মেলনে কয়েকবারই এল প্রসঙ্গটা। মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রতিবারই তা সবিনয়ে এড়িয়ে গেলেন। তার মুখ দিয়ে বেরই করা গেল না, ‘ইডেন গার্ডেনে কাল বাংলাদেশ ফেবারিট’। সুপার টেনের প্রথম ম্যাচটা নাকি প্রতিপক্ষ পাকিস্তানকে এগিয়ে রেখেই খেলতে নামবে তাঁর দল।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এখন পর্যন্ত হয়েছে ৯টি। সাতটিতেই জয়ী পাকিস্তান। এটুকু শুনলে মনে হতেই পারে যে, এই দুই দলের ম্যাচে পাকিস্তান ফেবারিট। কিন্তু বাংলাদেশের দুটি জয়ই যে এসেছে পর পর, দুই দলের সর্বশেষ দুই সাক্ষাতে! গত বছরের এপ্রিলের হোম সিরিজে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি জেতার পর বাংলাদেশ দল পাকিস্তানকে হারিয়েছে এ মাসের ২ তারিখে এশিয়া কাপের ম্যাচেও। তাছাড়া টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে মিলিয়ে দুই দলের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয়ী বাংলাদেশ। ইডেন গার্ডেনে কাল তাহলে কেন মাশরাফির দলই ফেবারিট হবে না?

কারণ, মাশরাফির প্রথম কথা, ‘টি-টোয়েন্টিতে ফেবারিট বলে কিছু নেই।’ তাছাড়া সাম্প্রতিক সাফল্যের আলোচনা ছাপিয়ে তাঁর চোখ চলে যাচ্ছে আরও পেছনে, ‘ইতিহাসই বলছে পাকিস্তান অনেক ভালো দল। টি-টোয়েন্টি সংস্করনটাও তারা খুব ভালো বোঝে।’ ২০০৯-এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদেরই তাই কালকের ম্যাচে ফেবারিট মনে করছেন মাশরাফি।

মাশরাফির কয়েক ঘন্টা আগে সংবাদ সম্মেলন করে গেছেন পাকিস্তানের কোচ ওয়াকার ইউনুস। জ্বরে ভুগছেন বলে অনুশীলনেই আসেননি অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। ওয়াকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল এই ম্যাচে দুই দলেরই সমান সম্ভাবনা কি না। উত্তরটা তিনি দিলেন কূটনৈতিক চালে, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দল অনেক উন্নতি করেছে। দল হিসেবে তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। সব ম্যাচেই ভালো করছে তারা। তবে বিশ্বকাপ হবে ভিন্ন কন্ডিশনে। এখানে আমরাও চেষ্টা করব ভালো খেলতে।’

বাংলাদেশ দলের জন্য সুখবর হলো, পরশু ধর্মশালায় অল্প রান আপে বল করার পর আজ ইডেনের নেটে পুরো রান আপে বল করেছেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতে আসার পর এটাই তাঁর প্রথম পুরো রান আপে বল করা। তবে এতেই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না মুস্তাফিজ কাল খেলছেন। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা হবে ম্যাচের আগে।