Updates :
Loading...
Showing posts with label Other Jobs. Show all posts
Showing posts with label Other Jobs. Show all posts

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও ১ লাখ ২ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন নিয়োগ হচ্ছে


মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের ব্যবস্থা ছাড়াই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমপিও নীতিমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে সরকার। প্রস্তাবিত খসড়ায় বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষকদের এমফিল-পিএইচডির মতো উচ্চতর শিক্ষার জন্য কোনো প্রণোদনার সুযোগ রাখা হয়নি। অনার্স-মাস্টার্স কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা নেই। এবারও ৯ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও না দেয়ার তালিকায় রাখা হয়েছে।


তবে বিদ্যমান এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ের জন্য আলাদা পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং এমএলএসএস পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত আছে। এতে সারা দেশে এমপিওভুক্ত প্রায় ২৮ হাজার প্রতিষ্ঠানে দেড় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরির সংস্থান হবে।


শনিবার অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদের সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত এমপিও নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অতিরিক্ত সচিব যুগান্তরকে বলেন, নীতিমালার খসড়া তৈরির পর সংশ্লিষ্টদের মত নেয়া হয়েছে। এটি চূড়ান্ত করার জন্য খুব শিগগিরই বৈঠক বসবে।


দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৯০টি বেসরকারি কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু আছে। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিষয়ে অনার্স চালু করতে কমপক্ষে ৭ শিক্ষক লাগবে। অনার্স ও মাস্টার্সের জন্য কমপক্ষে ১২ জন লাগবে। এসব শিক্ষকের কাউকেই সরকার এমপিও দেয় না। প্রস্তাবিত নীতিমালাতেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষককে এমপিও’র বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে অতীতের মতো আগামীতেও কলেজ থেকে প্রাপ্ত অর্থই তাদের সংসার চালাতে হবে। কঠিন বাস্তবতায় যোগ্য শিক্ষকরা এ ধরনের কলেজ-মাদ্রাসায় চাকরির আগ্রহ হারাবেন। ফলে অধিকাংশ বেসরকারি কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।


দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা বলেছেন, বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স কলেজের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেয়ার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানই অঙ্গীকারবদ্ধ। ভবিষ্যতে সার্বিক অগ্রগতির জন্য অনার্স-মাস্টার্স কলেজে এমপিও দিতে আমরা অনুরোধ করব। পাশাপাশি শিক্ষার অন্য স্তরেও যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও পান না, সেসব ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।


রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের সহকারী অধ্যাপক বদরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সরকার মানসম্মত শিক্ষা চায়। কিন্তু সরকারি হাইস্কুল আর বেসরকারি হাইস্কুল থেকে মাস্টার্স কলেজ পর্যন্ত শিক্ষকদের উচ্চতর শিক্ষাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অথচ সরকারি কলেজে এ জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা আছে। আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকলেও গত বছর তাও উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা মানসম্মত শিক্ষার পীঠে কুঠারাঘাতের শামিল। তিনি মনে করেন, ডিগ্রি স্তরে তৃতীয় শিক্ষক এবং অনার্স-মাস্টার্সে এমপিও দেয়া উচিত। নইলে এসব প্রোগ্রাম ও শিক্ষক নিয়োগ সরকারের বন্ধ করে দেয়া উচিত হবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক এলিয়াছ হোসেন বলেন, উচ্চতর শিক্ষার জন্য কেবল সরকারি কলেজে প্রণোদনা আছে। এ ক্ষেত্রে উচচ্চশিক্ষা স্তরে প্রথম শ্রেণী থাকলে একটি ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়। এমফিলের জন্য ২টি এবং পিএইচডির জন্য ৩টি ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা আছে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি পর্যায়ের মোট ১১ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও’র জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৬ হাজার ৯০টি। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিন লাখ ৬০ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। আর কর্মচারী রয়েছেন প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৭৪ জন। সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৬৬ হাজার জন।


অপরদিকে প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন পদ সৃষ্টির কারণে উল্লিখিত ২৬ হাজার ৯০টি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও ১ লাখ ২ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন নিয়োগ করা হবে। ইতিপূর্বে বাংলা, ইংরেজি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের জন্য নিু মাধ্যমিক স্কুলে ১ জন শিক্ষক নিয়োগ করা যেত। নতুন প্রস্তাবে এ তিন বিষয়ের জন্য তিনজন শিক্ষক নিয়োগের কথা আছে। আবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষার জন্য ৩ জন শিক্ষক পাওয়া যেত। এখানে আরও ১ জন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বাড়তি এ শিক্ষক হবেন ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের। বিদ্যমান নীতিমালায় ৬টি শর্ত পূরণ করে এমপিও পেতে হয়। এগুলো হল : প্রাপ্যতা, স্বীকৃতি/অধিভুক্তি, জনবল কাঠামো পূরণ, কাম্য শিক্ষার্থী ও ফলাফল, ব্যবস্থাপনা কমিটি। এ ছয়টির মধ্যে এমপিওপ্রত্যাশী প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানে ৫০ ভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করাতে হয়। এটা ৭০ ভাগ করা হবে।


ইতিপূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে এবং দাখিল ও আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসায় বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন ১ জন। তিনিই পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা ও উচ্চতর গণিত পড়াতেন। এর ফলে পাঠদানে জটিলতা হতো। নতুন প্রস্তাবে ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞানের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। গণিত বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক দেয়া হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রভাষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২৫ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হয়। প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করে ১৫ জন করা হয়েছে।


প্রস্তাবিত খসড়ায়, ইবতেদায়ি সংযুক্ত দাখিল, আলিম ও ফাজিল মাদ্রাসায় বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় ২ জন করে শিক্ষকের জায়গায় ৪ জন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক বিষয়ে ১ জন করে পাবে। সেই হিসাবে ব্যবসায় শিক্ষা চালু না থাকলে এ বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না। মাধ্যমিক সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন থেকে জুনিয়র শিক্ষকের পরিবর্তে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে এনটিআরসিএ’র (সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ) মাধ্যমে। ৪ জন শিক্ষক দেয়া হবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে প্রথমবারের মতো শারীরিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং চারু ও কারুকলা বিষয় প্রবর্তন করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে শরীরচর্চা শিক্ষক যারা ছিলেন তারা শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন। আর বাকি দু’বিষয়ের জন্য শিক্ষক দেয়ার প্রস্তাব রয়েছে।


এর বাইরে স্কুল ও মাদ্রাসায় কৃষি এবং গার্হস্থ্য বিষয়ে অভিন্ন না হলেও একই শিক্ষককে পড়াতে হতো। নতুন নীতিমালায় গার্হস্থ্য বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষকের প্রস্তাব আছে। মাদ্রাসায় দাখিল-আলিমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের জন্য শিক্ষক দেয়া হবে। শিক্ষকের পাশাপাশি দাখিল মাদ্রাসায় ১ জন করে সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার এবং স্কুল-মাদ্রাসায় এমএলএসএস পদ বাড়ানোর প্রস্তাব আছে।


বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ) শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও প্রদান এবং জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা শীর্ষক এ নীতিমালা প্রথমে ১৯৯৫ সালে প্রণীত হয়। ২০১০ ও ২০১৩ সালে এটি দু’দফায় সংশোধিত হয়েছে।

১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার নোটিশ সহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য জেনে নিন


প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
প্রার্থীদের হার্ড কপি জমাদান
প্রসঙ্গে অনেকেই জানার জন্য বার বার
প্রশ্ন করতেছেন।
তাদের জন্য।
• প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
প্রার্থীদের এসএমএস-এর মাধ্যমে হার্ড
কপি পাঠানোর তারিখ ও সময়
জানানো হবে।
• নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে
নিন্মের ঠিকানায় হার্ড কপি ডাক
অথবা কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে
হবে।
• খামের ওপর ‘ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন
পরীক্ষার আবেদনপত্র’ লিখতে হবে।
প্রাপক,
জিপিও বক্স নম্বর-১০৩,
ঢাকা-১০০০
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহঃ
• ডাউনলোডকৃত আবেদন কপি।
• শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র।স্নাতক
(পাস বা সম্মান) পর্যায়ের নম্বরপত্র।
• নাগরিকত্ব সনদ।
• জাতীয় পরিচয়পত্র।
• প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ সনদ।
• সহকারী শিক্ষক পদে
আবেদনকারীদের অনলাইনে আবেদনের
সময় উল্লিখিত ঐচ্ছিক বিষয়ের সপক্ষে
প্রমাণ হিসেবে স্নাতক পর্যায়ের
প্রবেশপত্র।

লিখিত পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য
প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ
নিতে পারবে । আবেদনের সময়
প্রার্থীর নির্বাচিত ঐচ্ছিক বিষয়ে
১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। সময় ৩
ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায়ও পাস নম্বর ৪০।
প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার
সিলেবাস পাওয়া যাবে
ওয়েবসাইটে

লিখিত পরীক্ষার সময়সূচীঃ


স্কুল ও স্কুল ২ : ১২-০৮-২০১৬ (শুক্রবার) সময়ঃ

সকাল ০৯ টা – দুপুর ১২ টা।

কলেজঃ ১৩-০৮-২০১৬ (শনিবার) সময়ঃ

সকাল ০৯ টা – দুপুর ১২ টা।

লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রসমূহঃ

খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, রংপুর,

চট্রগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ

মৌখিক পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা
মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে
পারবেন। মৌখিক পরীক্ষার জন্য
নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএসের
মাধ্যমে সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।
নির্ধারিত তারিখে সঙ্গে আনতে
হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। লিখিত ও
মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের
ভিত্তিতে তৈরি করা হবে উপজেলা,
জেলা ও জাতীয় মেধাতালিকা।

চাকরির জন্য কম্পিউটারের যে মৌলিক বিষয়গুলো জানা অাবশ্যক


বেশির ভাগ অফিসের কাজেই এখন প্রচলিত খাতা-কলমের বদলে কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক বেশি। কারণ আগামীর বিশ্ব ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। অটোমেশনের এই যুগে এসে তাই কম্পিউটারের ‘অ আ ক খ’ না জানলে চাকরি পেলেও তাতে কত দিন টিকে থাকতে পারবেন, তা বলা মুশকিল।


সব ধরনের চাকরির ক্ষেত্রেই কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকাটা এখন সবার জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এটা না থাকলে এখন ভালো ভালো ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাওয়া কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটারের মৌলিক কাজগুলো না জানলে বেশির ভাগ চাকরিতেই আপনি আবেদন করতে পারবেন না। ফলে কম্পিউটারে যাদের এসব সাধারণ বিষয়ে দক্ষতা নেই, তারা এখন থেকেই শুরু করতে পারেন।


চাকরির আবেদন করা শুধু নয়, যারা এখন চাকরিতে রয়েছেন তাদের জন্যও কম্পিউটারের এসব মৌলিক বিষয় জানা খুব দরকার। কেননা কম্পিউটারে মৌলিক দক্ষতা আপনার অফিসের কাজ অনেক সহজ করে দেয়। অটোমেশনের এই যুগে সব অফিসেই এখন চিরাচরিত খাতাপত্রের বদলে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের চর্চা শুরু হয়েছে। আপনি এসব কাজে পারদর্শী না হলে চাকরিদাতা নিশ্চয়ই আপনার বদলে অন্য কাউকে খুঁজে নিতে আগ্রহী হবেন। আবার আপনি যদি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের কাজে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে প্রতিষ্ঠান আপনার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। কম্পিউটারের এসব কাজ কেমন করে শিখবেন, আপনার দ্বারা কতটুকু সম্ভব, সেসব বিষয়ে আপনার মধ্যে নিশ্চয়ই দ্বিধা কাজ করতে পারে। এসব ভাবনা দূর করুন। কেননা শুরু না করতে পারলে আসলে কোনো কিছুই সম্ভব নয়।


তাই আজ থেকেই বসে পড়ুন বেসিক কম্পিউটার শেখায়। যেকোনো অফিসে কাজ করতে কম্পিউটারের খুব বেশি কাজ আপনাকে জানতে হবে না। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ডাউনলোড করা এগুলোই প্রাথমিকভাবে আপনাকে অনেকটাই যোগ্য করে তুলবে। সব ধরনের চাকরিতে কী ধরনের কম্পিউটার জ্ঞান জানা থাকা প্রয়োজন তা নিয়ে আজকের আয়োজন।


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড

আপনার চাকরির আবেদনপত্র থেকে শুরু করে লেখালেখির সব কাজই সম্পন্ন করা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এই প্রোগ্রামে অফিসের প্রায় সব ধরনের ডকুমেন্ট আপনি তৈরি করতে পারবেন। কোনো লেখাকে ফরম্যাট করা, লেখার মধ্যে টেবিল তৈরি করা, বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করে লেখাকে সুন্দর করে তোলা, লেখার মধ্যে ডিজাইন করা এমন সব কাজই আপনি সহজে করতে পারবেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। বর্তমানে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ব্যবহার হয় না।

মাইক্রোসফট এক্সেল

বিভিন্ন ধরনের ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অপরিহার্য। সাধারণ হিসাব-নিকাশ থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টের অনেক কাজের জন্যও নির্ভর করতে পারেন এক্সেলের ওপর। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে বেতন শিট, প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখার মতো কাজগুলোও এক্সেলে সহজে করা যায়। বিভিন্ন ডাটা সহজে বুঝার জন্য এক্সেল থেকে নানা ধরনের চার্ট বা ডায়াগ্রামও তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।




মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সহজেই যেকোনো ধরনের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়। আপনি আপনার বসকে নতুন একটি প্রজেক্ট আইডিয়া দেখাতে চান। সেটার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট হতে পারে আদর্শ একটি প্ল্যাটফর্ম। পাওয়ার পয়েন্টে আপনার আইডিয়াগুলোকে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন, ছবি, চার্ট, ডায়াগ্রাম ও টেক্সটের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারবেন। প্রজেক্টের প্রতিটি বিষয়ের জন্য এতে আপনি তৈরি করতে পারবেন আলাদা আলাদা স্লাইড। এই স্লাইডগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারলে আপনার প্রজেক্ট অন্য কাউকে বুঝানো আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে। তাই নানা ধরনের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দিয়ে ডিজাইন করতে পারবেন চমৎকার সব স্লাইড।




ইন্টারনেট ব্রাউজিং

আপনার অফিসের দৈনন্দিন কাজের জন্য ইন্টারনেট প্রয়োজনীয় একটি উপদান। ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলা মুশকিল। তরুণেরা অবশ্য স্মার্টফোনের কল্যাণে চলতি পথেও ইন্টারনেটের সাথে সার্বক্ষণিক যুক্ত থাকে। ইন্টারনেট আসলে তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। প্রয়োজন কেবল এখান থেকে সঠিকভাবে সঠিক তথ্যটি খুঁজে বের করা। নতুন নতুন আইডিয়ার জন্যও ইন্টারনেট হতে পারে আপনার সহায়। এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে।




ইমেইল

চিঠিপত্রের চল এখন আর নেই। অফিসের মধ্যে তো বটেই, অফিসের বাইরেও যে কারো সাথে যোগাযোগের জন্য এখনকার সময়ের স্মার্ট পদ্ধতি হলো ইমেইল। তাৎক্ষণিকভাবে ইমেইল আপনার বার্তাটি পাঠিয়ে দেবে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে। অফিসের নোটিশও এখন ইমেইলের মাধ্যমে সার্কুলেট করা হয়ে থাকে। ইয়াহু মেইল, জিমেইলের মতো ফ্রি ইমেইল সেবাতে তাই আপনার অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। আর অফিসের নিজস্ব ডোমেইনে ইমেইলও প্রদান করা হয় অনেক জায়গায়।




শিখবেন কোথায়

যদি খোঁজ নিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন যে আপনারই আশপাশে অসংখ্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনার কোনো বন্ধুও হয়তো বিষয়গুলোতে অত্যন্ত দক্ষ। তার শরণাপন্নও হতে পারেন। এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে অবশ্য খুব বেশি টাকাও খরচ হয় না। এগুলোর প্রতিটি বিষয়ে অবশ্য বইও পাওয়া যায় বাজারে। সেগুলো থেকে নিজে নিজেও শিখে নিতে পারেন। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারলে সহজেই ইউটিউব ও খান একাডেমির মতো সাইটে প্রবেশ করে কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয় রপ্ত করার জন্য প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন।

#collected

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস


সারাদেশে প্রায় ৯৫ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি এমপিওভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ লাখেরও বেশী শিক্ষক শিক্ষকতার মহান পেশায় জড়িত।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী কর্মকর্তারা এমনকি সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকগণ যেখানে বেতন স্কেলের শতভাগ উৎসব বোনাস পেয়ে থাকেন সেখানে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকগণ পেয়ে থাকেন মাত্র স্কেলের ২৫%।

এটা একধরনের বৈষম্য ছাড়া আর কিছুই নয়।

মুসলমানদের বছরের দুটো ঈদ, হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এই উৎসবগুলো পালন করা এদেশের মানুষের ঐতিহ্য।

পরিবারের সব সদস্যদের অংশগ্রহনে এই উৎসবগুলো হয়ে উঠে অত্যন্ত প্রানবন্ত। পরিবারের সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এই উৎসবগুলোর খরচ এই বাজারে অনেক বেশী। সরকার থেকে যা দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস প্রদান করতে পারেন। যেটা অত্যন্ত সময়পোযুগী সিদ্বান্ত হবে বলে মনে করি।

অতএব আমরা বর্তমান শিক্ষক বান্ধব সরকারের নিকট আকুল আবেদন করছি- এই বলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বেতন স্কেলের শতভাগ উৎসব বোনাস প্রদান করে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার সুরক্ষিত করবেন।

লেখক: সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন

সহকারী অধ্যাপক,

বাকলিয়া শহিদ এনএমএমজে ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম।

অবশেষে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে


বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। সোমবার (৬ জুন) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর মাধ্যমেই ৭ মাস ধরে বন্ধ থাকা এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পুণরায় চালু হচ্ছে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে শূন্য পদগুলোর জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাহিদা পেশ করতে হবে নিবন্ধন করতপক্ষের কাছে। এছাড়াও আগ্রহী প্রার্থীদের ২৮ জুলাই এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট পদে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।


গতবছর সরকার দেশের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই কারার দায়িত্ব বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) প্রদান করে। এ কার্যক্রম শুরুর পূর্বশর্ত হিসেবে এনটিআরসিএ’র পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।


যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে; সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে শূন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হলে এখন থেকে এনটিআরসিএ’র নিকট আনলাইনে চাহিদা পেশ করতে হবে।


গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পুরনো নিবন্ধনধারীরাও যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান সে ব্যবস্থা রাখা হবে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৮ হাজার ৩৮৩টি। এর বাইরেও কয়েক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।


যাঁরা নিয়োগের অপেক্ষায়: এ পর্যন্ত ১২টি নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে ছয় লাখ প্রার্থী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ৩২২ জন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। নতুন নিয়ম অনুসারে নিবন্ধন সনদের মেয়াদ তিন বছর করা হয়েছে। নিয়োগের পদ্ধতি বদলে যাওয়ায় পুরনো নিবন্ধনধারীরা দোদুল্যমানতায়।



গত বছরের ২২ অক্টোবর এসআরও জারির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। ফলে অধিকাংশ সংসদ সদস্যরা প্রথমদিন সংসদে হইচই ও বিরোধীতা করলেও উচ্চমহলে নির্দেশে চুপসে গেছেন পরবর্তীতে।


অধিকাংশ ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটিতে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু বেহুদা নেতা-কর্মীরা ঢুকে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছিল গত ১৫ বছর ধরে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরুর পর থেকে গুণগত মান কিছুটা হলেও নিশ্চিত হলেও নিয়োগে টাকা লেনদেন দিনদিন বেড়েই চলছিল


সরকার একটা উদ্যোগ নিয়েছেন নিয়োগে স্বচ্ছতা আনয়ন ও গুণগত মানের উন্নতিকল্পে। সারাদেশের মানুষ এ পদক্ষেপে যারপরনাই খুশি হয়ে স্বাগতম জানিয়েছেন।