অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলার শ্রেষ্ঠ বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোকে মডেল স্কুলে রূপান্তর করা হয়েছে। অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণ শেষ হয়েছে। এখন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের জন্য সরঞ্জামাদি দেওয়া হলো। ইতিমধ্যে অষ্টম বেতন কাঠামোয় আপনাদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে কারো কারো বেতন লাখ টাকা ছাড়াবে। আর কী চাই আপনাদের?’
এ সময় শিক্ষকরা সমস্বরে বলেন, ‘আমরা জাতীয়করণ চাই। এমনকি আগেও শিক্ষকরা তাঁদের বক্তব্যে জাতীয়করণের দাবি তোলেন। এর প্রতি-উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের স্কুলগুলোকে এত এত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য কোনো কৃতজ্ঞতা না জানিয়ে উল্টো আবারও দাবি জানাচ্ছেন। আপনাদের বেতন দ্বিগুণ হয়েছে। এখন উচিত ছিল প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো। নিজের দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকার করা। আপনাদের আগেই বলেছি, সবুরে মেওয়া ফলে। এখন বলতে হচ্ছে, জাতীয়করণ হবে তবে আপনাদের বাদ দিয়ে অন্য স্কুলগুলো। কারণ আপনাদের মডেল স্কুল। আপনারা অন্যদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন।’
এর আগে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গত সাত বছরে সারা দেশে ছয় হাজার ২৩৫টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ ও ভবন সংস্কারের কাজ করছে। বর্তমানে আরো তিন হাজার ২৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ২৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি প্রসারে নবনির্মিত ১২৫টি উপজেলা আইসিটি ট্রেনিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন (ইউ আইটি আর সি ই) গড়ে তোলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় এ ধরনের সেন্টার গড়ে তোলা হবে।’
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মো. হানজালা এবং ৩১০ মডেল বিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক কে এম রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।